মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৪

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ ও বেলকুচি উপজেলার সীমান্তবর্তী চৌবাড়ি ইউসুফীয়া কওমি ক্যাডেট মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ ও বেলকুচি উপজেলার সীমান্তবর্তী চৌবাড়ি ইউসুফীয়া কওমি ক্যাডেট মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।  

অভিযুক্ত ওই  শিক্ষককে পালাতে সহযোগিতা করায় পুলিশ মাদ্রাসার সুপার আলী আশরাফকে আটক করেছে। 

অভিযোগ উঠেছে, সোমবার দুপরে ইউসুফীয়া কওমী ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক ও সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার বালিযোগ গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে আবুবক্কর (৩৫) বেলকুচি উপজেলার বিশ্বাসবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও ওই মাদ্রাসার শিশু ছাত্রীকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে কৌশলে ধর্ষন করে। এসময় শিশুটির চিৎকারে মাদ্রাসার অন্য শিক্ষকেরা শিশুটিকে উদ্ধার করে। 

মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে বিক্ষুদ্ধ গ্রামবাসী মাদ্রাসাটির চারিদিকে ঘিরে ফেলে ওই শিক্ষকের শাস্তি দাবী করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে মাদ্রাসা সুপার আলী আশরাফ অভিযুক্ত শিক্ষক আবুবক্কারকে মাদ্রাসা থেকে ভাগিয়ে দেয়। সংবাদ পেয়ে দুপুরে কামারখন্দ ও বেলকুচি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে না পেয়ে মাদ্রাসার সুপারকে আটক করে। 

কামারখন্দ থানার এসআই ফারুক আজম বিকেলে জানান, মাদ্রাসার সুপারকে কামারখন্দ থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 

মাদ্রাসা সুপার আলী আশরাফ জানান, মাদ্রাসার ওই শিক্ষক শিশুটিকে কু-প্রস্তাব দিয়েছিলো। স্থানীয় সাবেক মেম্বার আলোচনা করে ওই শিক্ষককে সরিয়ে দিয়েছে।

রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৪

ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে শিশুকে হত্যা


টেলিভিশন দেখানোর জন্য ডেকে নিয়ে সিরাজগঞ্জে রিতু (৭) নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। 

সে সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের শিবনাথপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলামের মেয়ে এবং শিবনাথপুর ও পশ্চিম মোহনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণির ছাত্রী। 

এ ঘটনার পর ধর্ষকের শাস্তি দাবীতে বিক্ষুব্ধ জনতা এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে এবং ধর্ষকের বসতবাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। সংবাদ পেয়ে দুপুরে একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম জানান, শনিবার সন্ধ্যায় টেলিভিশন দেখানো কথা বলে পাশের বাড়ির আব্দুল খালেকের ছেলে বিবাহিত নুর ইসলাম (২৩) আমার মেয়ে রিতুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর এলাকায় মাইকিং করেও রাতে মেয়েকে খুজে পাওয়া যায়নি। গতকাল ভোরে স্থানীয় এক কৃষক ক্ষেত পরিচর্যার জন্য গিয়ে পাশ্ববর্তী পটল ক্ষেতে মেয়ের লাশ দেখতে পায়। 

সদর থানার উপ-পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা জানান, শিশুটিকে ধর্ষণের পর বাশের সাথে রশি দিয়ে বেধে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। সকালে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের বিবস্ত্র রক্তাক্ত মৃতদেহ, ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা শিশুটির পরণের প্যান্ট, স্যান্ডেল, মাটিতে পড়ে থাকা জমাট বাধা রক্ত ও বাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। 

এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। সরজমিন এলাকায় গেলে শত শত নারী-পুরুষ জমায়েত হয়ে এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে দেখে যায়। একপর্যায়ে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ও শিশু-কিশোররা ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এছাড়াও একদল বিক্ষুব্ধ জনতা ধর্ষকের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে কয়েকটি ঘর ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করেছে।


বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

নাশকতার মামলায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিএনপি-জামায়াতের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নাশকতার মামলায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিএনপি-জামায়াতের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার দুপুরে উপজেলার সলপ রেলস্টেশন থেকে এদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এরা হলেন-উপজেলার পঞ্চকোশী ইউনিয়ন ছাত্র শিবিরের সভাপতি ইকবাল হোসেন (২৬), বাগবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে জামায়াতকর্মী আব্দুল মালেক ও এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের বিএনপিকর্মী রফিকুল ইসলাম ঠান্ডু (৪০)।

উল্লাপাড়া মডেল থানার ওসি তাজুল হুদা জানান, নাশকতা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের কাজে বাধার অভিযোগে 
 দায়ের করা ৩/৪টি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এরা।

ওসি তাজুল হুদা বলেন, নাশকতার পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে উপজেলার সলপ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় জামায়াত-বিএনপি নেতাকর্মীরা বৈঠক করছে এমন খবরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সেখানে পুলিশ অভিযান চালায়। সেখান থেকে এ তিনজনেক গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাকিরা পালিয়ে গেছে বলেও তিনি জানান।