বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৩

সিরাজগঞ্জে পুলিশ-পিকেটার সংঘর্ষে আহত ২০

১৮ দলীয় জোটের ৬০ ঘণ্টা হরতালের শেষ দিনে সিরাজগঞ্জে পুলিশের সাথে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের সংঘর্ষে পথচারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জনকে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া পৃথক কয়েকটি স্থানে ভাংচুর, ককটেল বিস্ফোরণ, টায়ারে অগ্নিসংযোগ করে সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে।

হরতালে নাশকতার আশংকায় পুলিশ জেলা যুবদলের সহসভাপতি রবিউল ইসলাম রূপো সহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

বুধবার সকালে শহরের ইসলামী সরকারী কলেজ রোডে, টুকু ব্রীজ ও কাঠেরপুল এলাকায় পুলিশ হরতাল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ এসব স্থানে ৯ রাউন্ট টিয়ারগ্যাস রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা যায়, সকালে হরতালের সর্মথনে পৌর এলাকার সরকারি ইসলামিয়া কলেজ রোডে ছাত্রদল ও জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা একটি মিছিল বের করে। এসময় পুলিশ বাধা দিলে হরতাল সর্মথকদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

এক পার্যয়ে পিকেটাররা পুলিশকে লক্ষ্য করে ১০/১২ টি ককটেল নিক্ষেপ করে। এসময় পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে পিকেটাররা দোনাকপাটসহ বেশ কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করে।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম জানান, কলেজ রোড থেকে পাঁচ পিকেটারকে আটক করা হয়েছে। নাশকতা এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছিল।



 

সিরাজগঞ্জে কালি প্রতিমা ভাংচুরের অভিযোগে যুবদল নেতা আটক

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোলে কালি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান চৌধুরি (৩৬) কে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার শিয়ালকোল বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত মাহমুদুল হাসান চৌধুরি সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের সোহরাব হোসনের ছেলে ও শিয়ালকোল ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের শ্যামপুরে শিয়ালকোল মহাশশ্বান কালি মন্দিরের তিনটি কালি প্রতিমা ভাংচুর করে দুর্ব্যত্তরা। এ ঘটনায় ঐ দিন রাতেই সিরাজগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনেরা। এই মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে মাহমুদুল হাসান চৌধুরিকে বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে শিয়ালকোল বাজার থেকে আটক করা হয়।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরন, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতিসহ দুইজন আটক

সিরাজগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরন, ঝটিকা মিছিল, টায়ারে অগ্নিসংযোগ করেছে পিকেটাররা। হরতালে নাশকতার আশংকায় জেলা যুবদলের সহ-সভাপতিসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নির্দ্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি নেতৃত্বাধিন ১৮ দলের ডাকা টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের তৃতীয় দিন বুধবার ভোর ছয়টা থেকে সোয়া সাতটা পর্যন্ত শহরের রহমতগঞ্জ, পৌরসভা রোড ও বরবাজার এলাকায় এ ঘটনাগুলো ঘটে।
এদিকে হরতালে নাশকতার আশংকায় মঙ্গলবার রাতে সিরাজগঞ্জ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি, পৌর এলাকার সয়াধানগড়া মহল্লার হাজি আবুল হোসেনের ছেলে রবিউল ইসলাম রুপো (৪৩) ও মিরপুর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক, মিরপুর মহল্লার আঃ হামিদ বেপারির ছেলে ফারুখকে (৪৫) আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শিসূত্রে জানা যায়, বুধবার তৃতীয় দিনের হরতালের শুরুতেই ভোর ছয়টার দিকে শহরের পৌরসভা রোডের শহীদ এম মনসুর আলী অডিটোরিয়ামের সামনে পরপর দুটি ককটেলের বিস্ফোরন ঘটায় হরতালকারিরা।
সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে শহরের রহমতগঞ্জ কাঠেরপুল এলাকা থেকে হরতালের সমর্থনে একটি মিছিল বের করে জামাত-শিবির কর্মিরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছার আগেই তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
অপরদিকে সকাল সাতটার দিকে শহরের ইবি রোড জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে একটি মিছিল বের করে বিএনপি নেতা কর্মিরা। মিছিলটি গোশালা এলাকায় এসে শেষ হয়। এছাড়া সোয়া সাতটার দিকে বড়বাজার টুকু ব্রিজ এর উপর একটি ককটেলের বিস্ফোরন ঘটায় বিএনপি কর্মিরা।

মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৩


ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের হরতাল বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত  বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের উদ্যোগে নিউমার্কেট ব্রিজ চত্বরে হরতালের নামে বিএনপি-জামাত জোটের নৈরাজ্য, বোমাবাজী, অগ্নিসংযোগ সহ সন্ত্রাসী রাজনীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঢাকা মহানগর যুবলীগ  উত্তরের সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিলের  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়মী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ নাসিম ।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী, প্রধান বক্তা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ। সভা পরিচালনা করেন- ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সাধারণ সম্পাদক  মো. ইসমাইল হোসেন।   প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব  মোঃ নাসিম বলেন, “ দেশের মানুষ এখন আর হরতাল চায় না। হরতাল মানে মানুষ খুন, গাড়ী পোড়ানো, বোমাবাজী, স্কুল-কলেজ বন্ধ। গত কদিনের হরতালে সারা দেশে অন্তত: ২০ জন সাধারন মানুষ নিহত হয়েছে। এতগুলো মানুষ মারা গেল, দেশের অর্থনীতির ক্ষতি হলো তাতে খালেদা জিয়ার কি লাভ হলো? মানুষ হরতাল চায় না। এজন্য সাধারন মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে আর আপনি বিএনপি নেত্রী জামাতকে সঙ্গে নিয়ে হরতালের নামে মানুষ খুন করছেন। এত নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আগামী সংসদ নির্বাচন থামাতে পারবেন না। নির্বাচন শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই হবে। বরং আপনারা ভালো প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনের মাঠে আসুন। জনগন প্রত্যাখান করার আগেই শান্তির পথে আসুন। তিনি আরও বলেন গত ৫ বছরে শেখ হাসিনা দেশের যে উন্নয়ন করেছেন তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারো আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহবান জানান এবং ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ুন।   বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেন, “বিএনপি-জামাত ও তাদের দোসররা এদেশকে আফগানিস্তান-পাকিস্তান বানাতে চায়। ধ্বংসাত্বক কর্মকান্ড ছেড়ে নির্বাচনের মাঠে আসুন। জনগনের কাছে গিয়ে ভোট চেয়ে দেখুন তারা কি বলে ?”   যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বিরোধী দলের নতুন ধারার রাজনীতি প্রসঙ্গে বলেন- হরতাল, নৈরাজ্য, গাড়ী ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, জনগণকে সাস্পেনশনে রাখার প্রতিযোগীতা, মিডিয়ায় আঘাত, লাশের গাড়ী ভাংচুর, বিচারপতিদের বাসায় বোমা হামলা, জাতীয় নেতৃবৃন্দের বাসায় হামলা এই হল তার নতুন ধারার রাজনীতি। তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালা বদল নয়। এ নির্বাচন দেশের অগ্রযাত্রার নির্বাচন, তরুন-যুব সমাজের উপযোগী বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। এজন্য বার বার দরকার শেখ হাসিনার সরকার।”  বিশেষ অতিথি  ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপস এমপি  বলেন বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন আলোচনার পথ খোলা। বিএনপি নেত্রী আপনাকেই আলোচনার দিন-তারিখ ঠিক করতে হবে। হরতাল দিয়ে মানুষ মারবেন না। যুদ্ধপরাধীদের পক্ষ নিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করবেন না।  সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ, ঢাকা মহানগর যুবলীগ-উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সাধারন সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের হরতাল বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের উদ্যোগে নিউমার্কেট ব্রিজ চত্বরে হরতালের নামে বিএনপি-জামাত জোটের নৈরাজ্য, বোমাবাজী, অগ্নিসংযোগ সহ সন্ত্রাসী রাজনীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়মী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ নাসিম ।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী, প্রধান বক্তা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ। সভা পরিচালনা করেন- ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মোঃ নাসিম বলেন, “ দেশের মানুষ এখন আর হরতাল চায় না। হরতাল মানে মানুষ খুন, গাড়ী পোড়ানো, বোমাবাজী, স্কুল-কলেজ বন্ধ। গত কদিনের হরতালে সারা দেশে অন্তত: ২০ জন সাধারন মানুষ নিহত হয়েছে। এতগুলো মানুষ মারা গেল, দেশের অর্থনীতির ক্ষতি হলো তাতে খালেদা জিয়ার কি লাভ হলো? মানুষ হরতাল চায় না। এজন্য সাধারন মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে আর আপনি বিএনপি নেত্রী জামাতকে সঙ্গে নিয়ে হরতালের নামে মানুষ খুন করছেন। এত নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আগামী সংসদ নির্বাচন থামাতে পারবেন না। নির্বাচন শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই হবে। বরং আপনারা ভালো প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনের মাঠে আসুন। জনগন প্রত্যাখান করার আগেই শান্তির পথে আসুন। তিনি আরও বলেন গত ৫ বছরে শেখ হাসিনা দেশের যে উন্নয়ন করেছেন তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারো আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহবান জানান এবং ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ুন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেন, “বিএনপি-জামাত ও তাদের দোসররা এদেশকে আফগানিস্তান-পাকিস্তান বানাতে চায়। ধ্বংসাত্বক কর্মকান্ড ছেড়ে নির্বাচনের মাঠে আসুন। জনগনের কাছে গিয়ে ভোট চেয়ে দেখুন তারা কি বলে ?” যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বিরোধী দলের নতুন ধারার রাজনীতি প্রসঙ্গে বলেন- হরতাল, নৈরাজ্য, গাড়ী ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, জনগণকে সাস্পেনশনে রাখার প্রতিযোগীতা, মিডিয়ায় আঘাত, লাশের গাড়ী ভাংচুর, বিচারপতিদের বাসায় বোমা হামলা, জাতীয় নেতৃবৃন্দের বাসায় হামলা এই হল তার নতুন ধারার রাজনীতি। তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালা বদল নয়। এ নির্বাচন দেশের অগ্রযাত্রার নির্বাচন, তরুন-যুব সমাজের উপযোগী বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। এজন্য বার বার দরকার শেখ হাসিনার সরকার।” বিশেষ অতিথি ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপস এমপি বলেন বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন আলোচনার পথ খোলা। বিএনপি নেত্রী আপনাকেই আলোচনার দিন-তারিখ ঠিক করতে হবে। হরতাল দিয়ে মানুষ মারবেন না। যুদ্ধপরাধীদের পক্ষ নিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করবেন না। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ, ঢাকা মহানগর যুবলীগ-উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সাধারন সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।
New Age, Dhaka
Hartal in Dhaka on November 5, 2013 (4 ছবি)
Traffic movements found thinner in the capital’s Gulshan area during the 2nd day of the opposition’s 60-hr strike Tuesday afternoon. -- New Age photo
Police intercept activists of Juba Mohila League as they tried to resist the procession of Bangladesh Nationalist Party (not seen in picture) lawmakers in front of the National Parliament during hartal hours Tuesday morning. -- New Age photo
Police stop a Juba Mohila League activist Tuesday morning as she tried to launch an attack on the procession of BNP lawmakers during hartal hours. BNP and its allies called the hartal demanding a dialogue on non-party election-time government. -- New Age photo
An activist of Juba Mohila League chants slogan as the police stop her in front of the National Parliament during BNP-led alliances 60-hr hartal Tuesday morning.

বিডি আর বিদ্রহ মামলার রায়।


রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৩

৩ নভেম্বর রাত ৪.৩০ মিনিটে কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।


৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর উল্লসিত পাকিস্তান ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। গোলাম আযম মুসলিম দেশগুলোর কাছে চিঠি পাঠায় বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য। ভুট্টো মোশতাক সরকারের জন্য চাল ও সাহায্য পাঠায়। সেনাপ্রধান জিয়া ও খুনিচক্রের নির্দেশে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছিল মোশতাক। যেন সবকিছুই চলছিল পাকিস্তানের নির্দেশে!  বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর প্রয়োজন ছিল নেতৃত্ব শূন্য করা। দুর্নীতির অভিযোগ এনে চার নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। তাজউদ্দিন আহমেদকে ২২ আগস্ট এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে ২৩ আগস্ট গ্রেফতার করে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। চার নেতা ছাড়াও আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদসহ ২০ নেতাও গ্রেফতার হয়। সকলের উপর চলে অমানুষিক নির্যাতন।  ৩ নভেম্বর রাত ৪.৩০ মিনিটে কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।  জেনারেল জিয়া ১৯৭৬ সালের ৮ জুন বঙ্গবন্ধুর খুনি ও জেল হত্যাকারী ১২ জনকে রক্ত মাখা হাত নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে কূটনৈতিক মিশনের নিয়োগ দেন।  (Abdullah Harun Jewel)৭৫ এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর উল্লসিত পাকিস্তান ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। গোলাম আযম মুসলিম দেশগুলোর কাছে চিঠি পাঠায় বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য। ভুট্টো মোশতাক সরকারের জন্য চাল ও সাহায্য পাঠায়। সেনাপ্রধান জিয়া ও খুনিচক্রের নির্দেশে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছিল মোশতাক। যেন সবকিছুই চলছিল পাকিস্তানের নির্দেশে!

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর প্রয়োজন ছিল নেতৃত্ব শূন্য করা। দুর্নীতির অভিযোগ এনে চার নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। তাজউদ্দিন আহমেদকে ২২ আগস্ট এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে ২৩ আগস্ট গ্রেফতার করে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। চার নেতা ছাড়াও আবদুর রাজ্জাক, তোফায়েল আহমেদসহ ২০ নেতাও গ্রেফতার হয়। সকলের উপর চলে অমানুষিক নির্যাতন।

৩ নভেম্বর রাত ৪.৩০ মিনিটে কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতাকে।

জেনারেল জিয়া ১৯৭৬ সালের ৮ জুন বঙ্গবন্ধুর খুনি ও জেল হত্যাকারী ১২ জনকে রক্ত মাখা হাত নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে কূটনৈতিক মিশনের নিয়োগ দেন।

শনিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৩

আজ ৩রা নভেম্বর জেলা হত্যা দিবস।


আজ ৩রা নভেম্বর। জেলা হত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালে এই দিনে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় যে ৪ নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় তার মধ্যে একজন সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের কৃতি সন্তান ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। ঘাকতদের বুলেটের আঘাতে এই মহান নেতার মৃত্যু হলেও সবার মাঝে আজও তিনি বেঁচে আছেন তার বনার্ঢ্য কর্মময় জীবনের কারনে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা ক্যাপ্টেন এম.মনসুর আলী ১৬ জানুয়ারী সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল কুড়িপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন । সিরাজগঞ্জ বি.এল স্কুল থেকে এস.এস.সি, পাবনা এ্যাডওয়ার্ড কলেজ থেকে এইচ.এস.সি, কলকাতা ইসলামীয়া কলেজ থেকে বি.এ এবং আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম.এ ও ল’ পাশ করেন।

১৯৪৬ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত পাবনা জেলা মুসলিম লীগের সহ-সভাপতি ও একই সঙ্গে লীগের গার্ড বাহিনীর পাবনা জেলা শাখার ক্যাপ্টেন এর দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় থেকেই তিনি ক্যাপ্টেন মুনসুর আলী নামে পরিচিত। পরবর্তীতে ১৯৫১-তে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ১৯৫২-র ভাষা আন্দোলনে বৃহত্তর পাবনা জেলার নেতৃত্ব প্রদান করায় কারানির্যাতন ভোগ করেন। তার বনার্ঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং ১৯৭১ সালে মুজিবনগরে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীসহ একাধিক মন্ত্রালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। আর এই দায়িত্ব পালন কালে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার মানুষদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখেন। তবে এই মহান নেতার জন্মস্থান কুড়ি পাড়াতে হয়নি কোন অবকাঠামোগত উন্নায়ন। এই নেতার বাড়ির সামনে গেলে বুঝার উপায় নেই যে এটা বাংলার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এম মনসুর আলীর বাড়ী। বিগত তিন প্রজন্ম ধরে কাজিপুরের সংসদীয় আসনে রাজকরে যাচ্ছে মনসুর আলীর পরিবার অথচ এই নেতার গ্রামের বাড়িতে উন্নায়ন বা স্মৃতি ধওে রাখার উদ্যেগ নেয়নি তার পরিবার। ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর পরে এ্ই আসনে সাংসদ নির্বাচন হয় তার সন্তান মোহাম্মদ নাসিম এবং তার পরে মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে এবং মনসুর আলীর নাতি প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয়। মনসুর আলীর জন্ম ভুমিতে মহান এই নেতার স্মৃতি আগামী প্রজম্নের কাছে তুলে ধরতে তার জন্মভুমিতে একটি জাদুঘর, স্মৃতি পাঠাগারসহ স্মৃতি চিহ্ন তৈরী করার পাশাপশি সরকারের কাছে দ্রুত এই বর্বরোচিত হত্যা কান্ডের বিচারের রায় কার্যকর করার দাবি এলাকাবাসীর এবং তরুন প্রজন্মের।

এই হত্যা কান্ডের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যেমে বঙ্গবন্ধু এবং জাতীয় ৪ নেতার স্বপ্ন সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার আহবান জানালেন সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও শহীদ এম. মনসুর আলীর নাতী, প্রকৌশলী তানভির শাকিল জয়। তবে যৌথপরিবারের কারনে কুড়িপাড়াতে কোন কিছু করা সম্ভব হচ্ছেনা বলে তিনি জানান। ধানমন্ডিতে এম মুনসুর আলীর করা বাড়িতে স্মৃতি ধরে রাখার জন্য কিছু করার পরিকল্পনা গ্রহন করার আশ্বাষ দেন তরুন এই সাংসদ।

জাতীয় এই চার নেতার হত্যাকারীদের বিচারের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি দেশের জন্য আতœত্যাগকারী মহান এই নেতার স্মুতি বিজরিত বাড়ীটি সংরক্ষনের পাশাপাশি আগামী প্রজন্মের জন্য জাদুঘর ও পাঠাগার নির্মানসহ নানা স্মৃতি চিহ্ন গড়ে তুলতে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এমনটাই দাবী এলাকাবাসীর।
১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অন্ধকারতম দিন। এই দিন ঘাতকরা জাতীয় চার নেতাকে অন্ধকার কারাপ্রকোষ্ঠে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। স্বাধীনতার ৪ বছর পর বাঙালি জাতি হারিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এএইচএম কামারুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ওই ঘটনা জাতির জন্য দ্বিতীয় ট্র্যাজেডি যা পুরো জাতিকে বাকরুদ্ধ করেছিল। ১৫ই আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সেলের অভ্যন্তরে জাতীয় এ চার নেতাকে হত্যা করা হয়। জাতি এখনও বেদনাথ হৃদয়ে স্মরণ করে দিনটাকে। আজ সেই দিন- জেলহত্যা দিবস। জাতি আজ শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় স্মরণ করবে জাতীয় এই চার নেতাকে। সেদিন স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট খোন্দকার মোস্‌তাক আহমাদের প্ররোচনায় এক শ্রেণীর উচ্চাভিলাষী মধ্যম সারির জুনিয়র সেনা কর্মকর্তা এ নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটায়। দেশের এই চার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে ১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর কারাগারে পাঠিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা প্রথমে গুলি এবং পরে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে। জাতীয় এ চার নেতা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সামরিক জান্তার হাতে আটক বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন। বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার পর পরই পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালো রাতে বঙ্গবন্ধুকে ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধকালে সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দিন আহমেদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বঙ্গবন্ধুর অপর ঘনিষ্ঠ সহযোগী এএইচএম কামরুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন মনসুর আলী আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে নীতি ও কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন এবং অন্যান্য সামাজিক, রাজনৈতিক সংগঠন যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
আওয়ামী লীগের কর্মসূচি: জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে আছে সকাল সাড়ে ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় সহ দেশের সব শাখা কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন এবং কালোব্যাজ ধারণ। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জমায়েত এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ।
সকাল সাড়ে ৭টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ই আগস্টের শহীদ ও জাতীয় নেতাদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত। রাজশাহীতে জাতীয় নেতা শহীদ কামরুজ্জামানের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত। বিকাল দুইটায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে জনসভা। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ৩রা নভেম্বর জেলহত্যা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে সর্বস্তরের দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে পালনের জন্য আওয়ামী লীগের সকল শাখা এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
আগামী নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন, অবাধ নিরপেক্ষ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে, আগামী নির্বাচনে আমি আপনাদের কাছে আবারো নৌকা মার্কায় ভোট চাই।
উনাকে অনুরোধ করবো ৪ নভেম্বর ছেলে মেয়েদের পরীক্ষার কথা চিন্তা করে উনি হরতাল দিবেন না পরীক্ষার সময় হরতাল দিবেন না।

শুক্রবার, ১ নভেম্বর, ২০১৩

সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের রোকন আব্দুস সালামকে (৬০) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের রোকন আব্দুস সালামকে (৬০) পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। সে শহরের সয়াধানগড়া উত্তরপাড়া মহল্লার বাসিন্দা। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিবুল ইসলাম জানান, শুক্রবার ভোরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে জামায়াত নেতা আব্দুস সালামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার নামে নাশকতা, পুলিশের কাজে বাধা প্রদান ও হামলাসহ ৭/৮টি মামলা রয়েছে।