শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৫

সিরাজগঞ্জে জাতীয় শোক দিবসে কেক কেটেছে জেলা যুবদল ও ছাত্রদল

জাতীয় শোক দিবসে বেগম খালেদা জিয়ার বির্তকিত জন্মদিনে কেক কেটেছে সিরাজগঞ্জ জেলা যুবদল ও ছাত্রদল। শুক্রবার রাত ১২.০১ মিনিটে জেলা যুবদলের সভাপতি আবু সাইদ সুইটের আমলাপাড়াস্থ ব্যাক্তিগত অফিসে এ কর্মসুচির আয়োজন করা হয়।

মূলত খালেদা জিয়ার প্রতি অনুগত প্রকাশ করার জন্যই এধরনের কর্মসূচি। এব্যাপারে বিএনপির সিনিয়র নেতারা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন -বিএনপির কিছু অতিউৎসাহী যুবক এধরনের বির্তকৃত জন্মদিন পালন করছে, যাদের কারনেই দলের আজ এরুপ দূর্দশা”।

এ সময় জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মির্জা আব্দুল জব্বার বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আলামিন খান, জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন রাজেশ, কৃষকদলের আহবায়ক সাইদুল ইসলাম আলো, যুগ্ম সম্পাদক মিলন হক রঞ্জু, থানা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুল আলম, যুবদল নেতা রেজাউল করিম জোয়ার্দ্দার, জাকির হোসেন, প্রদীপ, ছাত্রদল নেতা আলামিন, উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বেলকুচি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ইলিয়াস হোসেনের বাসায় কেক কাটেন বিএনপি নেতা মোশাররফ হোসেন, থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, যুবদল সভাপতি আইয়ুব আলী, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, হেলাল উদ্দিন। এছাড়াও শাহজাদপুরের পৌরজনা ইউনিয়নে পৌর বিএনপির সভাপতি হোসেন মাহমুদ গ্যাদনের বাসায় কেক কাটা হয়। এ সময় ছাত্রদল নেতা আল মামুন হোসেনসহ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৪

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ ও বেলকুচি উপজেলার সীমান্তবর্তী চৌবাড়ি ইউসুফীয়া কওমি ক্যাডেট মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ ও বেলকুচি উপজেলার সীমান্তবর্তী চৌবাড়ি ইউসুফীয়া কওমি ক্যাডেট মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।  

অভিযুক্ত ওই  শিক্ষককে পালাতে সহযোগিতা করায় পুলিশ মাদ্রাসার সুপার আলী আশরাফকে আটক করেছে। 

অভিযোগ উঠেছে, সোমবার দুপরে ইউসুফীয়া কওমী ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক ও সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার বালিযোগ গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে আবুবক্কর (৩৫) বেলকুচি উপজেলার বিশ্বাসবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও ওই মাদ্রাসার শিশু ছাত্রীকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে কৌশলে ধর্ষন করে। এসময় শিশুটির চিৎকারে মাদ্রাসার অন্য শিক্ষকেরা শিশুটিকে উদ্ধার করে। 

মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে বিক্ষুদ্ধ গ্রামবাসী মাদ্রাসাটির চারিদিকে ঘিরে ফেলে ওই শিক্ষকের শাস্তি দাবী করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে মাদ্রাসা সুপার আলী আশরাফ অভিযুক্ত শিক্ষক আবুবক্কারকে মাদ্রাসা থেকে ভাগিয়ে দেয়। সংবাদ পেয়ে দুপুরে কামারখন্দ ও বেলকুচি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে না পেয়ে মাদ্রাসার সুপারকে আটক করে। 

কামারখন্দ থানার এসআই ফারুক আজম বিকেলে জানান, মাদ্রাসার সুপারকে কামারখন্দ থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। 

মাদ্রাসা সুপার আলী আশরাফ জানান, মাদ্রাসার ওই শিক্ষক শিশুটিকে কু-প্রস্তাব দিয়েছিলো। স্থানীয় সাবেক মেম্বার আলোচনা করে ওই শিক্ষককে সরিয়ে দিয়েছে।

রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৪

ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে শিশুকে হত্যা


টেলিভিশন দেখানোর জন্য ডেকে নিয়ে সিরাজগঞ্জে রিতু (৭) নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। 

সে সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের শিবনাথপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলামের মেয়ে এবং শিবনাথপুর ও পশ্চিম মোহনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণির ছাত্রী। 

এ ঘটনার পর ধর্ষকের শাস্তি দাবীতে বিক্ষুব্ধ জনতা এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে এবং ধর্ষকের বসতবাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। সংবাদ পেয়ে দুপুরে একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। 

নিহতের বাবা নজরুল ইসলাম জানান, শনিবার সন্ধ্যায় টেলিভিশন দেখানো কথা বলে পাশের বাড়ির আব্দুল খালেকের ছেলে বিবাহিত নুর ইসলাম (২৩) আমার মেয়ে রিতুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর এলাকায় মাইকিং করেও রাতে মেয়েকে খুজে পাওয়া যায়নি। গতকাল ভোরে স্থানীয় এক কৃষক ক্ষেত পরিচর্যার জন্য গিয়ে পাশ্ববর্তী পটল ক্ষেতে মেয়ের লাশ দেখতে পায়। 

সদর থানার উপ-পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা জানান, শিশুটিকে ধর্ষণের পর বাশের সাথে রশি দিয়ে বেধে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। সকালে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের বিবস্ত্র রক্তাক্ত মৃতদেহ, ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা শিশুটির পরণের প্যান্ট, স্যান্ডেল, মাটিতে পড়ে থাকা জমাট বাধা রক্ত ও বাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। 

এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। সরজমিন এলাকায় গেলে শত শত নারী-পুরুষ জমায়েত হয়ে এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে দেখে যায়। একপর্যায়ে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা ও শিশু-কিশোররা ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এছাড়াও একদল বিক্ষুব্ধ জনতা ধর্ষকের বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে কয়েকটি ঘর ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করেছে।


বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

নাশকতার মামলায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিএনপি-জামায়াতের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নাশকতার মামলায় সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিএনপি-জামায়াতের তিন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার দুপুরে উপজেলার সলপ রেলস্টেশন থেকে এদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এরা হলেন-উপজেলার পঞ্চকোশী ইউনিয়ন ছাত্র শিবিরের সভাপতি ইকবাল হোসেন (২৬), বাগবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে জামায়াতকর্মী আব্দুল মালেক ও এনায়েতপুর গুচ্ছগ্রামের বিএনপিকর্মী রফিকুল ইসলাম ঠান্ডু (৪০)।

উল্লাপাড়া মডেল থানার ওসি তাজুল হুদা জানান, নাশকতা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের কাজে বাধার অভিযোগে 
 দায়ের করা ৩/৪টি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এরা।

ওসি তাজুল হুদা বলেন, নাশকতার পরিকল্পনার উদ্দেশ্যে উপজেলার সলপ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় জামায়াত-বিএনপি নেতাকর্মীরা বৈঠক করছে এমন খবরে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সেখানে পুলিশ অভিযান চালায়। সেখান থেকে এ তিনজনেক গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাকিরা পালিয়ে গেছে বলেও তিনি জানান।

বুধবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৩

সিরাজগঞ্জে পুলিশ-পিকেটার সংঘর্ষে আহত ২০

১৮ দলীয় জোটের ৬০ ঘণ্টা হরতালের শেষ দিনে সিরাজগঞ্জে পুলিশের সাথে বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের সংঘর্ষে পথচারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জনকে হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া পৃথক কয়েকটি স্থানে ভাংচুর, ককটেল বিস্ফোরণ, টায়ারে অগ্নিসংযোগ করে সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে।

হরতালে নাশকতার আশংকায় পুলিশ জেলা যুবদলের সহসভাপতি রবিউল ইসলাম রূপো সহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

বুধবার সকালে শহরের ইসলামী সরকারী কলেজ রোডে, টুকু ব্রীজ ও কাঠেরপুল এলাকায় পুলিশ হরতাল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পুলিশ এসব স্থানে ৯ রাউন্ট টিয়ারগ্যাস রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা যায়, সকালে হরতালের সর্মথনে পৌর এলাকার সরকারি ইসলামিয়া কলেজ রোডে ছাত্রদল ও জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা একটি মিছিল বের করে। এসময় পুলিশ বাধা দিলে হরতাল সর্মথকদের সাথে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।

এক পার্যয়ে পিকেটাররা পুলিশকে লক্ষ্য করে ১০/১২ টি ককটেল নিক্ষেপ করে। এসময় পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে পিকেটাররা দোনাকপাটসহ বেশ কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করে।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম জানান, কলেজ রোড থেকে পাঁচ পিকেটারকে আটক করা হয়েছে। নাশকতা এড়াতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছিল।



 

সিরাজগঞ্জে কালি প্রতিমা ভাংচুরের অভিযোগে যুবদল নেতা আটক

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোলে কালি মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান চৌধুরি (৩৬) কে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার শিয়ালকোল বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত মাহমুদুল হাসান চৌধুরি সদর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের সোহরাব হোসনের ছেলে ও শিয়ালকোল ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের শ্যামপুরে শিয়ালকোল মহাশশ্বান কালি মন্দিরের তিনটি কালি প্রতিমা ভাংচুর করে দুর্ব্যত্তরা। এ ঘটনায় ঐ দিন রাতেই সিরাজগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনেরা। এই মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে মাহমুদুল হাসান চৌধুরিকে বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে শিয়ালকোল বাজার থেকে আটক করা হয়।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে আটক করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরন, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতিসহ দুইজন আটক

সিরাজগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরন, ঝটিকা মিছিল, টায়ারে অগ্নিসংযোগ করেছে পিকেটাররা। হরতালে নাশকতার আশংকায় জেলা যুবদলের সহ-সভাপতিসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নির্দ্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি নেতৃত্বাধিন ১৮ দলের ডাকা টানা ৬০ ঘন্টার হরতালের তৃতীয় দিন বুধবার ভোর ছয়টা থেকে সোয়া সাতটা পর্যন্ত শহরের রহমতগঞ্জ, পৌরসভা রোড ও বরবাজার এলাকায় এ ঘটনাগুলো ঘটে।
এদিকে হরতালে নাশকতার আশংকায় মঙ্গলবার রাতে সিরাজগঞ্জ জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি, পৌর এলাকার সয়াধানগড়া মহল্লার হাজি আবুল হোসেনের ছেলে রবিউল ইসলাম রুপো (৪৩) ও মিরপুর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক, মিরপুর মহল্লার আঃ হামিদ বেপারির ছেলে ফারুখকে (৪৫) আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শিসূত্রে জানা যায়, বুধবার তৃতীয় দিনের হরতালের শুরুতেই ভোর ছয়টার দিকে শহরের পৌরসভা রোডের শহীদ এম মনসুর আলী অডিটোরিয়ামের সামনে পরপর দুটি ককটেলের বিস্ফোরন ঘটায় হরতালকারিরা।
সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে শহরের রহমতগঞ্জ কাঠেরপুল এলাকা থেকে হরতালের সমর্থনে একটি মিছিল বের করে জামাত-শিবির কর্মিরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছার আগেই তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়।
অপরদিকে সকাল সাতটার দিকে শহরের ইবি রোড জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে একটি মিছিল বের করে বিএনপি নেতা কর্মিরা। মিছিলটি গোশালা এলাকায় এসে শেষ হয়। এছাড়া সোয়া সাতটার দিকে বড়বাজার টুকু ব্রিজ এর উপর একটি ককটেলের বিস্ফোরন ঘটায় বিএনপি কর্মিরা।