বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৩

পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার মামলায় আসামি ৩০


Sirajganj24/7: সিরাজগঞ্জের মাছুমপুরে পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় ৩০ জনকে আসামি করে মামলা করেছে সিরাজগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।

কনস্টেবল আব্দুল আওয়াল (১১৬৫) বাদী হয়ে ১৫ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরো ১৫ জনকে আসামি করে সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি (নং ৬৬/১৩) দায়ের করেন।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) বাসুদেব সিনহা জানান, পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। এব্যাপারে মামলা দায়েরের পর গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৮ দলের টানা ৬০ ঘণ্টা হরতালের দ্বিতীয় দিন সোমবার রাতে টহল দেয়ার উদ্দ্যেশ্যে সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইন থেকে ৬ সদস্যের একটি দল শহরে আসছিলেন। রাত সোয়া আটটার দিকে শহরের মাছুমপুর মাকার্স মসজিদের সামনে পৌঁছলে পিকআপ ভ্যানটি লক্ষ্য করে এলোপাথারি ঢিল ছুড়ে পালিয়ে যায় চার যুবক। এতে পিকআপ ভ্যানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দুই পুলিশ কনস্টেবল আনোয়ার হোসেন (৩০) ও আ. কাদের (২৮) আহত হন।

রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৩

সিরাজগঞ্জে পুলিশ-পিকেটার সংঘর্ষে আহত ২৫, আটক ৫।

োটের টানা ৬০ ঘণ্টার হরতালের প্রথম দিনে রোববার সিরাজগঞ্জে পৌর এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত পিকেটারদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিষ্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
১৮ দলীয় জ
রবিবার সকাল সাড়ে দশটা থেকে থেমে থেমে দুপুর একটা পর্যন্ত এই সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষে এক সহকারি পুলিশ সুপারসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন গুলিবিদ্ধ রয়েছে। আহতদের সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শতাধিক রাউন্ড সর্টগানের গুলি, টিয়ারশেল, রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হয়েছে ৫ জনকে। আহতদের মধ্যে সিরাজগঞ্জ সদর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) ফোরকান শিকদার, কনস্টেবল আশরাফুল ও গুলিবদ্ধ শহর যুবদলের যুগ্ন-সম্পাদক নুর নবীর পরিচয় জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়সুত্রে জানা যায়, রবিবার হরতালের শুরু থেকেই সিরাজগঞ্জ-কাজিপুর আঞ্চলিক সড়কের সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার সমাজকল্যাণ মোড়, রহমতগঞ্জ ও কাঠেরপুল এলাকায় অবস্থান নিয়ে খন্ড খন্ড মিছিল ও পিকেটিং করতে থাকে বিএনপি-জামায়াত নেতা কর্মীরা। এক পর্যায়ে বেলা সাড়ে দশটার দিকে রহমতগঞ্জ এলাকায় সড়ক অবরোধ করে তারা। এ সময় পুলিশে বাধা দিলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষ রহমতগঞ্জ ও ভাঙ্গাবাড়ি মহল্লায় ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণঘটায় হরতাল সমর্থকেরা। পরে অতিরিক্ত পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় শতাধিক রাউন্ড সর্টগানের গুলি, টিয়ারশেল, রাবার বুলেট, চায়না গুলি ও গ্যাস গান নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশ সহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়। এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয় তিন যুবদল ও ছাত্রদল কর্মি। আহতদের সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালসহ শহরের বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। পরে পুলিশ ঐ দুই এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে তল্লাসি চালিয়ে ৫ জনকে আটক করে। 

সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম সংঘর্ষ, গুলি নিক্ষেপ ও আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের নাম, পরিচয় ও ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা যাছাই বাছাই চলছে। বর্তমানে ঐ এলাকার সার্বিক পরিস্তিতি স্বাভাবিক রয়েছে। মোতায়েন রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

শুক্রবার, ২৫ অক্টোবর, ২০১৩

জামায়াতে ইসলামী এবং বিএনপি’র সারাদেশে নৈরাজ্য, অরাজকতা এবং সিরাজগঞ্জে প্রফেসর ডাঃ আলহাজ্ব হাবিবে মিল্লাত মুন্নার বাসভবনে ভাঙচুর ও হামলার প্রতিবাদে ১৪ দলের সমাবেশ ।

শুক্রবার বিকেলে প্রেসক্লাব সংলগ্ন শহীদ নাজমুল চত্ত্বরে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বিএসসি’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কেএম হোসেন আলী হাসান, সহসভাপতি আলহাজ্ব আবু ইউসুফ সুর্য্য, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী আবু মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, সহসভাপতি এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান রানা (পিপি), এ্যাডভোকেট বিমল কুমার দাস, যুগ্মসম্পাদক এসএম আলতাব হোসেন, আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা প্রফেসর ডাঃ আলহাজ্ব হাবিবে মিল্লাত মুন্না, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদিকা জান্নাত আরা তালুকদার হেনরী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গাজী সোহরাব আলী সরকার, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল ইসলাম মুকুল, জাসদ নেতা আবু বক্কর ভূঁইয়া, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব ইসাহাক আলী, থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সাত্তার শিকদার, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আব্দুল হাকিম, সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জিহাদ আল ইসলাম জিহাদ ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন প্রমুখ।
বক্তাগণ বলেন, সারাদেশে বিএনপি ও জামায়াতের নৈরাজ্যের কারণে আওয়ামীলীগ জনগণের সাথে নিয়ে দাঁতভাঙা জবাব দেবে। এবং শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে। সমাবেশে ১৪ দলের নেতৃবৃন্দগণ সিরাজগঞ্জে প্রফেসর ডাঃ আলহাজ্ব হাবিবে মিল্লাত মুন্নার বাসভবনে ভাঙচুর ও হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
জয় হোক,ছবিতে পুলিশ কমিশনার বেনজির ভাইকে চিন্তিত মনে হচ্ছে , চিন্তার কিছু নাই, আল্লাহ্‌ পাক সবসময় সত্যের সাথে আছে আসে,এদেশ সোনার দেশ,অলি আউলিয়ার ও গাওছে পাকের দেশ, এখানে খারাপদের কোন জায়গা হবেনা, এখানে সত্তের জয় হবেই । রাজাকারের বিচার এদেশেই হবেই ইনশাআল্লাহ.....

কাজিপুরে কলেজ ছাত্রীর লাশ উদ্ধার-

বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৩

রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন; থমথমে দেশ; জনমনে আতংক

রাজধানীতে বিজিবি মোতায়েন; থমথমে দেশ; জনমনে আতংক ২৫ অক্টোবরকে ঘিরে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে থমথমে পরিস্থিতি রাজধানীসহ সারাদেশে। জনমনে দেখা দিয়েছে আতংক। যেকোন নাশকতা ঠেকাতে, সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে আইন-শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনী। এরিমধ্যে রাজধানী, চট্টগ্রাম, রাজধানী ও বগুড়ায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গেছে, ঢাকায় ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চট্টগ্রামে চার প্লাটুন। রাজশাহী ও বগুড়ায় দুই প্লাটুন করে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।  বড় শহরগুলোতে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ কোরে চলছে তল্লাশি ও গ্রেফতার অভিযান। রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে রয়েছে বিশেষ নজরদারি। প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ের ভেতরেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র নয়াপল্টনের কার্যালয় ঘিরে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তায়।  বগুড়ায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। আওয়ামী লীগ ও ১৮ দলীয় জোট একই জায়গায় সমাবেশ ডাকায় সহিংসতা এড়াতে আজ সন্ধ্যা ছ’টা থেকে শনিবার সকাল ছ’টা পর্যন্ত পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। এতে গোটা শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
-২৫ অক্টোবরকে ঘিরে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মুখোমুখি অবস্থানের কারণে থমথমে পরিস্থিতি রাজধানীসহ সারাদেশে। জনমনে দেখা দিয়েছে আতংক। যেকোন নাশকতা ঠেকাতে, সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে আইন-শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনী। এরিমধ্যে রাজধানী, চট্টগ্রাম, রাজধানী ও বগুড়ায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গেছে, ঢাকায় ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চট্টগ্রামে চার প্লাটুন। রাজশাহী ও বগুড়ায় দুই প্লাটুন করে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

বড় শহরগুলোতে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ কোরে চলছে তল্লাশি ও গ্রেফতার অভিযান। রাজধানীর প্রবেশপথগুলোতে রয়েছে বিশেষ নজরদারি। প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ের ভেতরেও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতা। আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র নয়াপল্টনের কার্যালয় ঘিরে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তায়।

বগুড়ায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। আওয়ামী লীগ ও ১৮ দলীয় জোট একই জায়গায় সমাবেশ ডাকায় সহিংসতা এড়াতে আজ সন্ধ্যা ছ’টা থেকে শনিবার সকাল ছ’টা পর্যন্ত পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। এতে গোটা শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে দুই জনের লাশ উদ্ধার

 সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া ও বেলকুচি থেকে এক তরুনী সহ দুই জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলপ ইউনিয়নের কোনবাড়ি ব্রিজ এলাকায় বোরকা পরিহিত অজ্ঞাত (২০) এক যুবতীর লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে সকাল দশটার দিকে উল্লাপাড়া থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
উল্লাপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল হুদা ব এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ধারনা করা হচ্ছে বুধবার রাতের কোন এক সময়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
অপরদিকে বেলকুচি থানার এসআই ফয়সাল ও এসআই আব্দুর রাজ্জাক জানান, বুধবার সন্ধায় উপজেলার মনতলা চরে যমুনা নদী থেকে এক যুবকের পচাঁ গলিত দূগন্ধ যুক্ত লাশ দেখে এলাকা বাসী খবর দিলে রাতেই সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন করে। তবে ঐ যুবকের চেহারা না বোঝার কারনে তার পরিচয় মেলানো সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে বেলকুচি থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছে।

আওয়ামীলীগ ও বিএনপি একই সময়ে সমাবেশ ডাকায় সিরাজগঞ্জ স্বাধীনতা স্কয়ারে ১৪৪ ধারা জারী

একই স্থানে ও একই সময়ে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সভা-সমাবেশ ডাকায় সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন ষ্টেশন স্বাধীনতা স্কয়ারসহ তদসংলগ্ন আশেপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক বিল্লাল হোসেন জানান, উভয় দল সভা-সমাবেশ ডাকায় আইনশৃংখলা পরিস্থিতি অবনতির আশংকায় ১৪৪ ধারা জারী করা হয়েছে। এসময় সকল প্রকার সভা-সমাবেশ ও লোকজন জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এদিকে, জেলায় বিজিবি মোতায়েন না হলেও জেলা শহরে র‌্যাব-পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

সিরাজগঞ্জে পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  সিরাজগঞ্জ নেট ঃ সিরাজগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ব্যাক্তিগত চিকিৎসক ও বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বি এম আর সি) পরিচালক প্রফেসর ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্নার বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে এবং হামলাকারিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায় সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গনে শুরু হওয়া এই মানববন্ধন কর্মসূচি সোয়া দশটার দিকে শেষ হয়।  সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াও স্লোগানে পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা আয়োজিত মানববন্ধনে সিরাজগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা, চিকিৎসক, আইনজীবি, শিক্ষক, শির্ক্ষাথী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবি, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতা কর্মিরা অংশ গ্রহন করে।  এই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, প্রধানমন্ত্রীর ব্যাক্তিগত চিকিৎসক ও বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বি এম আর সি) পরিচালক প্রফেসর ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না. সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন মাইন উদ্দিন মিয়া, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ্যাড. আব্দুর রহমান, পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি মালিক আব্দুর রহিম, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ জহুরুল হক রাজা , স্বাচিপ সভাপতি ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক, শিল্পকলা একাডেমির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আসাদ উদ্দিন পবলু, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি এ্যাড.মাহবুবে খোদা টুটুল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সোহরাব হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি এ্যাড. বিমল কুমার দাস, মোস্তফা কামাল খান, সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ন-সম্পাদক আব্দুল মজিদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।#
সিরাজগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর ব্যাক্তিগত চিকিৎসক ও বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বি এম আর সি) পরিচালক প্রফেসর ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্নার বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের প্রতিবাদে এবং হামলাকারিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায় সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গনে শুরু হওয়া এই মানববন্ধন কর্মসূচি সোয়া দশটার দিকে শেষ হয়।
সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াও স্লোগানে পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখা আয়োজিত মানববন্ধনে সিরাজগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধা, চিকিৎসক, আইনজীবি, শিক্ষক, শির্ক্ষাথী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবি, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতা কর্মিরা অংশ গ্রহন করে।
এই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, প্রধানমন্ত্রীর ব্যাক্তিগত চিকিৎসক ও বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের (বি এম আর সি) পরিচালক প্রফেসর ডাঃ হাবিবে মিল্লাত মুন্না. সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন মাইন উদ্দিন মিয়া, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এ্যাড. আব্দুর রহমান, পেশাজীবি সমন্বয় পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি মালিক আব্দুর রহিম, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ জহুরুল হক রাজা , স্বাচিপ সভাপতি ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক, শিল্পকলা একাডেমির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আসাদ উদ্দিন পবলু, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি এ্যাড.মাহবুবে খোদা টুটুল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সোহরাব হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি এ্যাড. বিমল কুমার দাস, মোস্তফা কামাল খান, সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ন-সম্পাদক আব্দুল মজিদসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।#

একনজরে জিয়াউর রহমান এর কু-কীর্তি সমুহঃ সংক্ষিপ্ত আকারে

>১৯৭৫-এর ২৪শে অক্টোবরে সেনাপ্রধানকে পদচ্যুত করে উপসেনাপ্রধান থেকে সেনাপ্রধান।

>বঙ্গবন্ধু হত্যার মাত্র ৪ মাস পর ৭৫’এর ৩১শে ডিসেম্বর, ৭২’এর ঘাতক দালাল আইন বাতিল করে ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি, যাদের মধ্যে ৭৫২জন দন্ডপ্রাপ্ত।

>জেল ও বঙ্গবন্ধু হত্যার সব তদন্ত বন্ধ করে দেয়া

>১৯৭৬-এর ২৯শে নভেম্বরে প্রধান সামরিক শাসক সায়েমের বিরুদ্ধে ক্যু করে নিজে প্রধান সামরিক প্রশাসক

>১৯৭৭এর ২১ শে এপ্রিলে আবার সায়েমকে সম্পূর্ণ কিকআউট করে রাষ্ট্রপ্রধান

>১৯৭৭ এ অবৈধ ঘোষিত ধর্মভিত্তিক রাজনীতির অনুমতি।

>১৯৭৭-এর ২২ এপ্রিলে ১৯৭২ এর শাসনতন্ত্রের ৩৮ অনুচ্ছেদের মূলপরিবর্তন এনে সংবিধানে সন্ত্রাস

>১৯৭৭-এর ৭ই মে তে খুনিদের ক'জনকে পদোন্নতি এবং পুনর্বহাল

>১৯৭৭-এর ‘হ্যাঁ-না’ ভোট

>১৯৭৮-এর ৫ই এপ্রিলে নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে ১৯৭১-এর ঘাতক দালালদের নাগরিকত্ব দানের জন্য মন্ত্রনালয়কে আদেশ

>১৯৭৯-এর ৫ই এপ্রিল ৫ম সংশোধনীকে আইনে প্রণীত করে জেল ওবঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের দ্বাররুদ্ধ করতে বিষাক্ত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে আইন

>নতুন নাগরিকত্ব আইনের আওতায় পাকিস্তানের পাসপোর্ট হাতে রাজাকার গোলাম কে দেশে প্রবেশের অনুমতি

>আব্বাসকে ৭৯তে জামাতের আমীর হতে দিয়ে ,দেশে মৌলবাদ এবং জামাতের স্বাধীনতা বিরোধী সকল কার্যকলাপকে সাংবিধানীক বৈধতা,

>১৯৭২এরসংবিধানকে কেটে ছিরে নিজের ইচ্ছে মত সব কিছুকে জায়েজকরার নগ্ন প্রচেষ্টা।

এই সেই বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা। প্রতিষ্ঠাতার অবস্থা যদি এমন হয়-সেখান থেকে ভালো কিই বা আশা করা যায় !!!