সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ ও বেলকুচি উপজেলার সীমান্তবর্তী চৌবাড়ি ইউসুফীয়া কওমি ক্যাডেট মাদ্রাসার এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে পালাতে সহযোগিতা করায় পুলিশ মাদ্রাসার সুপার আলী আশরাফকে আটক করেছে।
অভিযোগ উঠেছে, সোমবার দুপরে ইউসুফীয়া কওমী ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক ও সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার বালিযোগ গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে আবুবক্কর (৩৫) বেলকুচি উপজেলার বিশ্বাসবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও ওই মাদ্রাসার শিশু ছাত্রীকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে কৌশলে ধর্ষন করে। এসময় শিশুটির চিৎকারে মাদ্রাসার অন্য শিক্ষকেরা শিশুটিকে উদ্ধার করে।
মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে বিক্ষুদ্ধ গ্রামবাসী মাদ্রাসাটির চারিদিকে ঘিরে ফেলে ওই শিক্ষকের শাস্তি দাবী করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে মাদ্রাসা সুপার আলী আশরাফ অভিযুক্ত শিক্ষক আবুবক্কারকে মাদ্রাসা থেকে ভাগিয়ে দেয়। সংবাদ পেয়ে দুপুরে কামারখন্দ ও বেলকুচি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে না পেয়ে মাদ্রাসার সুপারকে আটক করে।
কামারখন্দ থানার এসআই ফারুক আজম বিকেলে জানান, মাদ্রাসার সুপারকে কামারখন্দ থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মাদ্রাসা সুপার আলী আশরাফ জানান, মাদ্রাসার ওই শিক্ষক শিশুটিকে কু-প্রস্তাব দিয়েছিলো। স্থানীয় সাবেক মেম্বার আলোচনা করে ওই শিক্ষককে সরিয়ে দিয়েছে।
অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে পালাতে সহযোগিতা করায় পুলিশ মাদ্রাসার সুপার আলী আশরাফকে আটক করেছে।
অভিযোগ উঠেছে, সোমবার দুপরে ইউসুফীয়া কওমী ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক ও সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার বালিযোগ গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে আবুবক্কর (৩৫) বেলকুচি উপজেলার বিশ্বাসবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ও ওই মাদ্রাসার শিশু ছাত্রীকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে কৌশলে ধর্ষন করে। এসময় শিশুটির চিৎকারে মাদ্রাসার অন্য শিক্ষকেরা শিশুটিকে উদ্ধার করে।
মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে বিক্ষুদ্ধ গ্রামবাসী মাদ্রাসাটির চারিদিকে ঘিরে ফেলে ওই শিক্ষকের শাস্তি দাবী করেন। অবস্থা বেগতিক দেখে মাদ্রাসা সুপার আলী আশরাফ অভিযুক্ত শিক্ষক আবুবক্কারকে মাদ্রাসা থেকে ভাগিয়ে দেয়। সংবাদ পেয়ে দুপুরে কামারখন্দ ও বেলকুচি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে না পেয়ে মাদ্রাসার সুপারকে আটক করে।
কামারখন্দ থানার এসআই ফারুক আজম বিকেলে জানান, মাদ্রাসার সুপারকে কামারখন্দ থানায় রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মাদ্রাসা সুপার আলী আশরাফ জানান, মাদ্রাসার ওই শিক্ষক শিশুটিকে কু-প্রস্তাব দিয়েছিলো। স্থানীয় সাবেক মেম্বার আলোচনা করে ওই শিক্ষককে সরিয়ে দিয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন