মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৩


ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের হরতাল বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত  বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের উদ্যোগে নিউমার্কেট ব্রিজ চত্বরে হরতালের নামে বিএনপি-জামাত জোটের নৈরাজ্য, বোমাবাজী, অগ্নিসংযোগ সহ সন্ত্রাসী রাজনীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঢাকা মহানগর যুবলীগ  উত্তরের সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিলের  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়মী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ নাসিম ।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী, প্রধান বক্তা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ। সভা পরিচালনা করেন- ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সাধারণ সম্পাদক  মো. ইসমাইল হোসেন।   প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব  মোঃ নাসিম বলেন, “ দেশের মানুষ এখন আর হরতাল চায় না। হরতাল মানে মানুষ খুন, গাড়ী পোড়ানো, বোমাবাজী, স্কুল-কলেজ বন্ধ। গত কদিনের হরতালে সারা দেশে অন্তত: ২০ জন সাধারন মানুষ নিহত হয়েছে। এতগুলো মানুষ মারা গেল, দেশের অর্থনীতির ক্ষতি হলো তাতে খালেদা জিয়ার কি লাভ হলো? মানুষ হরতাল চায় না। এজন্য সাধারন মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে আর আপনি বিএনপি নেত্রী জামাতকে সঙ্গে নিয়ে হরতালের নামে মানুষ খুন করছেন। এত নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আগামী সংসদ নির্বাচন থামাতে পারবেন না। নির্বাচন শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই হবে। বরং আপনারা ভালো প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনের মাঠে আসুন। জনগন প্রত্যাখান করার আগেই শান্তির পথে আসুন। তিনি আরও বলেন গত ৫ বছরে শেখ হাসিনা দেশের যে উন্নয়ন করেছেন তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারো আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহবান জানান এবং ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ুন।   বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেন, “বিএনপি-জামাত ও তাদের দোসররা এদেশকে আফগানিস্তান-পাকিস্তান বানাতে চায়। ধ্বংসাত্বক কর্মকান্ড ছেড়ে নির্বাচনের মাঠে আসুন। জনগনের কাছে গিয়ে ভোট চেয়ে দেখুন তারা কি বলে ?”   যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বিরোধী দলের নতুন ধারার রাজনীতি প্রসঙ্গে বলেন- হরতাল, নৈরাজ্য, গাড়ী ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, জনগণকে সাস্পেনশনে রাখার প্রতিযোগীতা, মিডিয়ায় আঘাত, লাশের গাড়ী ভাংচুর, বিচারপতিদের বাসায় বোমা হামলা, জাতীয় নেতৃবৃন্দের বাসায় হামলা এই হল তার নতুন ধারার রাজনীতি। তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালা বদল নয়। এ নির্বাচন দেশের অগ্রযাত্রার নির্বাচন, তরুন-যুব সমাজের উপযোগী বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। এজন্য বার বার দরকার শেখ হাসিনার সরকার।”  বিশেষ অতিথি  ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপস এমপি  বলেন বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন আলোচনার পথ খোলা। বিএনপি নেত্রী আপনাকেই আলোচনার দিন-তারিখ ঠিক করতে হবে। হরতাল দিয়ে মানুষ মারবেন না। যুদ্ধপরাধীদের পক্ষ নিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করবেন না।  সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ, ঢাকা মহানগর যুবলীগ-উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সাধারন সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের হরতাল বিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের উদ্যোগে নিউমার্কেট ব্রিজ চত্বরে হরতালের নামে বিএনপি-জামাত জোটের নৈরাজ্য, বোমাবাজী, অগ্নিসংযোগ সহ সন্ত্রাসী রাজনীতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়মী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ নাসিম ।বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী, প্রধান বক্তা বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ। সভা পরিচালনা করেন- ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মোঃ নাসিম বলেন, “ দেশের মানুষ এখন আর হরতাল চায় না। হরতাল মানে মানুষ খুন, গাড়ী পোড়ানো, বোমাবাজী, স্কুল-কলেজ বন্ধ। গত কদিনের হরতালে সারা দেশে অন্তত: ২০ জন সাধারন মানুষ নিহত হয়েছে। এতগুলো মানুষ মারা গেল, দেশের অর্থনীতির ক্ষতি হলো তাতে খালেদা জিয়ার কি লাভ হলো? মানুষ হরতাল চায় না। এজন্য সাধারন মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে আর আপনি বিএনপি নেত্রী জামাতকে সঙ্গে নিয়ে হরতালের নামে মানুষ খুন করছেন। এত নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আগামী সংসদ নির্বাচন থামাতে পারবেন না। নির্বাচন শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই হবে। বরং আপনারা ভালো প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনের মাঠে আসুন। জনগন প্রত্যাখান করার আগেই শান্তির পথে আসুন। তিনি আরও বলেন গত ৫ বছরে শেখ হাসিনা দেশের যে উন্নয়ন করেছেন তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আবারো আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনার আহবান জানান এবং ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ুন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জনাব মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম বলেন, “বিএনপি-জামাত ও তাদের দোসররা এদেশকে আফগানিস্তান-পাকিস্তান বানাতে চায়। ধ্বংসাত্বক কর্মকান্ড ছেড়ে নির্বাচনের মাঠে আসুন। জনগনের কাছে গিয়ে ভোট চেয়ে দেখুন তারা কি বলে ?” যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী বিরোধী দলের নতুন ধারার রাজনীতি প্রসঙ্গে বলেন- হরতাল, নৈরাজ্য, গাড়ী ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, জনগণকে সাস্পেনশনে রাখার প্রতিযোগীতা, মিডিয়ায় আঘাত, লাশের গাড়ী ভাংচুর, বিচারপতিদের বাসায় বোমা হামলা, জাতীয় নেতৃবৃন্দের বাসায় হামলা এই হল তার নতুন ধারার রাজনীতি। তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালা বদল নয়। এ নির্বাচন দেশের অগ্রযাত্রার নির্বাচন, তরুন-যুব সমাজের উপযোগী বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। এজন্য বার বার দরকার শেখ হাসিনার সরকার।” বিশেষ অতিথি ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপস এমপি বলেন বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে বলেন আলোচনার পথ খোলা। বিএনপি নেত্রী আপনাকেই আলোচনার দিন-তারিখ ঠিক করতে হবে। হরতাল দিয়ে মানুষ মারবেন না। যুদ্ধপরাধীদের পক্ষ নিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করবেন না। সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন যুবলীগ সাধারন সম্পাদক মো. হারুনুর রশিদ, ঢাকা মহানগর যুবলীগ-উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তরের সাধারন সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন